রাজধানীতে হিযবুত তাহ্রীর ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর মধ্যে সংঘর্ষ
নিষিদ্ধঘোষিত হিযবুত তাহ্রীরের ‘মার্চ ফর খেলাফত’ কর্মসূচিতে বাধা দিয়েছে পুলিশ। দুই পক্ষের মধ্যে ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়ার ঘটনা ঘটে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের বাইরে গেলে যোগ দেয় সেনাবাহিনী। শুক্রবার রজমানের ১ম জুমার নামাজের পর পরই বায়তুল মোকাররম মসজিদের উত্তর গেট থেকে কর্মসূচি শুরু করে সংগঠনটির নেতাকর্মীরা। কিছুটা সামনে এগোতেই পুলিশের বাধার মুখে পড়ে তারা। এরপর শুরু হয় ব্যাপক উত্তেজনা। একপর্যায়ে পুলিশ টিয়ারগ্যাস ও সাউন্ড গ্রেনেড নিক্ষেপ করে মিছিলকারীদের ছত্রভঙ্গ করার চেষ্টা করে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণহীন হয়ে গেলে সেখানে যোগ দেয় বাংলাদেশ সেনাবাহিনী। এদিকে ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়ায় বায়তুল মোকাররম মসজিদের উত্তর গেট ও পল্টন এলাকা রণক্ষেত্রে পরিণত হয়। বেশ কয়েকজন আহত হওয়ার খবর পাওয়া গেছে। এর আগে নিষিদ্ধঘোষিত হিযবুত তাহরীরের ‘মার্চ ফর খিলাফত’ কর্মসূচিকে কেন্দ্র করে জাতীয় মসজিদ বায়তুল মোকাররমের সামনে ও আশপাশের এলাকায় সতর্ক অবস্থান নেন সেনাবাহিনী, র্যাব ও পুলিশের বিভিন্ন শাখার সদস্যরা। দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে বায়তুল মোকাররম এলাকায় গিয়ে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি জোরদার করার এমন দৃশ্য দেখা গেছে। এরআগে গতকাল বৃহস্পতিবার দিবাগত রাত সোয়া ১২টার দিকে রাজধানীর উত্তরা পশ্চিম থানা এলাকা থেকে হিযবুত তাহরীরের তিনজন সক্রিয় সদস্যকে গ্রেপ্তার করে ডিএমপির কাউন্টার টেরোরিজম অ্যান্ড ট্রান্সন্যাশনাল ক্রাইমের (সিটিটিসি) ইউনিট। এছাড়া এক বার্তায় পুলিশ সদরদপ্তর জানিয়েছে, হিযবুত তাহরীর একটি নিষিদ্ধ ঘোষিত সংগঠন। দেশের আইন অনুযায়ী এদের সব কার্যক্রম শাস্তিযোগ্য অপরাধ। ডিএমপি জানায়, জননিরাপত্তার প্রতি হুমকি বিবেচনায় ২০০৯ সালের ২২ অক্টোবর বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক হিযবুত তাহরীরকে নিষিদ্ধ ঘোষণা করা হয়। সন্ত্রাসবিরোধী আইন- ২০০৯ অনুযায়ী নিষিদ্ধ ঘোষিত যেকোনো সংগঠন কর্তৃক সভা, সমাবেশ, মিছিল, পোস্টার-লিফলেট বিতরণ ও অন্যান্য উপায়ে প্রচারণাসহ সব কার্যক্রম শাস্তিযোগ্য অপরাধ।
